কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সোনালী ব্যাংক সম্প্রতি ঋণসীমা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে বলেছিল, সীমাবদ্ধতার কারণে ভালো গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থায়ন করা যাচ্ছে না, যা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণসীমা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথম আলোর মঙ্গলবারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
ঋণসীমা বেঁধে দেওয়া শাখাগুলো হলো—সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখা, ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখা, শিল্প ভবন করপোরেট শাখা, শহীদ আবরার ফাহাদ এভিনিউ করপোরেট শাখা ও চট্টগ্রামের লালদীঘি করপোরেট শাখা।
রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শাখার ওপর দীর্ঘদিনের ঋণ বিতরণসংক্রান্ত সীমা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ফলে এখন থেকে এসব শাখা প্রচলিত নীতিমালা ও ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে ঋণ অনুমোদন করতে পারবে; আগের মতো নির্ধারিত অঙ্কের সীমাবদ্ধতা থাকবে না।