Coronavirus: How long is a covid patient dangerous for another?

With the rapid spread of Covid’s micron variant around the world, the governments of different countries…

মানসিক রোগ

মানসিক রোগের লক্ষণ ঃ

প্রত্যক্ষকরণ বা উপলদ্ধি: ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে আমরা সব কিছু প্রত্যক্ষ করে থাকি। এই প্রত্যক্ষকরণ বা উপলদ্ধিতে অস্বাভাবিকতা প্রকাশ পেলে সেটাকে মানসিক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। উপলদ্ধিগত অস্বাভাবিকতা দুধরনের হতে পারে – ইল্যুশন ও হ্যালুসিনেশন।

আবেগের অস্বাভাবিকতা: একজন সুস্থ ব্যক্তি এবং একজন অসুস্থ ব্যক্তি একই উপায়ে তাদের আবেগ অনুভব প্রকাশ করতে পারে না। বিভিন্ন কারণে আবেগের পরিবর্তন ঘটে – তবে সেই পরিবর্তনকে স্থায়ী বলা যায় না। যাদের পরিবর্তনটা স্থায়ী হয়ে পড়ে তারা মানসিকভাবে অবশ্যই বিপর্যস্ত। কিছু কিছু বিষয় আবেগের অস্বাভাবিকতার ক্ষেত্র তৈরি করে দেয়। যেমন: বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা, বিরক্তি।

বুদ্ধি লোপ: মানসিক রোগীদের বুদ্ধি লোপ পায়। একটি জিনিসকে বিচার-বুদ্ধি দিয়ে বিশ্লষণ করার ক্ষমতা তাদের কমে যায়।

স্মৃতিভ্রষ্ট: একটি লোক কোথা থেকে আসছে জিজ্ঞেস করলে ভিন্ন উত্তর পাওয়া যায়। সে ইচ্ছে করে মিথ্যে বলে না। আসলে সে নিজেই সব ভুলে যায়।


মুদ্রাদোষ: একই কথা বার বার বলা, একই অঙ্গ বার বার সঞ্চালন করাকে মুদ্রাদোষ বলে। মানসিক রোগীদের মধ্যে এই উপসর্গগুলো পরিলক্ষিত হয়।

মানসিক জটিলতা: এটা এমন এক অবচেতন ধারনা যা আবদমিত ইচ্ছা বা আবেগজনিত অভিজ্ঞতার সাথে সম্পৃক্ত এবং আচরণে যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। যেমন: সুপিরিওরিটি কমপ্লেক্স, ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্স, ইলেকট্রা কমপ্লেক্স, ঈপিডাস কমপ্লেক্স ইত্যাদি।

সন্দেহপ্রবণতা: মানসিক রোগীদের মধ্যে মারাত্মক সন্দেহপ্রবণতা দেখা যায়। বন্ধুদের বা আশেপাশের মানুষদের সে শত্রু বলে মনে করে। তার বিরুদ্ধে সবাই চক্রান্তে লিপ্ত এমনটি সে মনে করে।

অহেতুক ভয়: মানসিক রোগীরা অহেতুক ভয়ের শিকার হতে পারে। অনেকে ছোট ও নিরীহ প্রাণী দেখে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। অন্ধকার বা নির্জনতায় আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়ে। অনেকে অন্যের সামনে কথা বলতে পারে না।

অহেতুক রোগভীতি: রোগী মনে করে সে কোন দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছে।

শুচিবাই: মানসিক রোগীদের মধ্যে শুচিবায়ুগ্রস্ততা পরিলক্ষিত হয়। কেউ ঘন্টার পর ঘন্টা হাত-মুখ ধুচ্ছে তো ধুচ্ছেই – মনে হয় তারপরও ঠিকমতো পরিষ্কার হচ্ছে না।

চিকিৎসাঃ

জৈব বা জৈব রাসায়নিক কারণে যদি মানসিক রোগ হয় তবে সে অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে। অন্যদিকে ধরুন যদি সাংসারিক অশান্তি, পিতা-মাতার গোলমাল কিংবা স্কুলের চাপের কারণে মানসিক রোগ দেখা দেয় তা হলে চিকিৎসার সময় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ ধরণের রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি তাকে আচরণগত বিষয় উপদেশ দিতে হবে। তার সাইকো থেরাপি বা বিহেভিয়ার থেরাপির দরকার হবে।

মানসিক রোগ প্রতিহত করাও সম্ভব। রোগের বায়োলজিক্যাল ও জেনেটিক কারণগুলো খতিয়ে দেখার মাধ্যমে তা করা সম্ভব। সন্তান জন্মের আগে এমন ব্যবস্থা করা সম্ভব। করা সম্ভব সন্তান জন্মের পরও। এ ছাড়া, অন্যদিকে রোগীর পুনর্বাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ওষুধসহ সাইকো বা বিহেভিয়ার থেরাপির মাধ্যমে যে রোগীর রোগ মুক্ত হলো সে যেন পুরনো কাজে ফিরে যেতে পারে তার নিশ্চয়তা দিতে হবে। এই নিশ্চয়তাটি চিকিৎসার জন্য বেশ প্রয়োজনীয় তা মনে রাখতে হবে।

মনোরোগ দেহের রোগের মতই একটি রোগ, সে সম্পর্কে এই অ্যাপ হতে আমরা সবাই নিশ্চিত হতে পেরেছি। তাই কারো মনোরোগ হয়েছে শুনলে তাকে মানসিক ডাক্তার দেখাবেন। একাজে ভয়, লজ্জা বা শরমের কিছু নেই।

মাথা ব্যথার প্রতিকার

দুশ্চিন্তাজনিত মাথা ব্যথাঃ

লক্ষণ ঃ

মাথা ব্যথা মাথার উভয় দিকে হয়। মাথায় তীব্র চাপ অনুভূত হয় এবং ব্যথা ঘাড়ে সংক্রমিত হতে পারে। মানসিক চাপে ব্যথা বাড়তে পারে। পুরুষ, মহিলা সমানভাবে আক্রান্ত হয়।

চিকিৎসা:

সাধারণত বেদনা নাশক দ্ব্বারা চিকিত্সা করা হয়। স্বল্পমাত্রার ট্র্যাঙ্কুলাইজারও দেয়া যেতে পারে।

মাইগ্রেন-এর মাথা ব্যথা

লক্ষণ ঃ

শতকরা ১০-১৫ ভাগ লোক এ ধরণের মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হয়। মাইগ্রেন মহিলাদের বেশী হয়। সাধারণত: ১৫-১৬ বছর বয়স থেকে মাইগ্রেনের লক্ষণ দেখা দেয় এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ৪০-৫০ বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়। মাইগ্রেনের আক্রমণের সময় মগজের রাসায়নিক বাহক সেরোটনিন-এর মাত্রা বেড়ে যায় এবং মাথা বাইরের ধমনীগুলো প্রসারিত হয়।

চিকিৎসা :

যেসব কারণে মাইগ্রেনের আক্রমণ বৃদ্ধি পায়, তা পরিহার করতে হবে। স্বল্পস্থায়ী চিকিত্সা হিসাবে অ্যাসপিরিন বা প্যারাসিটামলের সাথে এন্টিইমেটিক যেমন প্রোক্লোরপেরাজিন, মেটাক্লোপ্র্যামাইড দেয়া যেতে পারে। তীব্র আক্রমণের চিকিত্সা হিসাবে সুমাট্রিপটিন, যা মাথার বাইরের ধমনীকে সংকুচিত করে, তা মুখে বা ইনজেকশনের মাধ্যমে দেয়া যেতে পারে। আর্গোটামিন বিকল্প হিসাবে দেয়া যেতে পারে। ঘন ঘন আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে প্রতিরোধকারী হিসাবে প্রোপানোলল, পিজোটিফেন বা অ্যামিট্রিপটাইলিন দেয়া যেতে পারে।

সাইনাস এর মাথা ব্যথা

লক্ষণ ঃ

যাদের ঘন ঘন সর্দি-কাশি হয়, তাদের সাইনুসাইটিস থেকে এ ধরণের মাথা ব্যথা হয়ে থাকে।

চিকিৎসা:

চিকিৎসা হিসাবে এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টামিন, নাজাল ডিকনেজস্ট্যান্ট বা নাজাল স্প্রে দেয়া হয়।

চক্ষুজনিত মাথা ব্যথা

শতকরা ৫ ভাগ মাথা ব্যথা চক্ষুজনিত। চোখের দৃষ্টিশক্তি কম থাকলে মাথা ব্যথা হতে পারে। অনেকক্ষণ পড়াশুনা করা, সেলাই করা, সিনেমা দেখা বা কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও মাথা ব্যথা হতে পারে। চোখের কোন রোগ যেমন- কর্ণিয়া, আইরিশের প্রদাহ, গ্লুকোমা বা রেট্রোবালবার নিউরাইটিস ইত্যাদি কারণেও মাথা ব্যথা হতে পারে। চক্ষুজনিত মাথা ব্যথা সাধারণত: চোখে, কপালের দু’দিকে বা মাথার পিছনে হয়ে থাকে। চক্ষুজনিত মাথা ব্যথায় চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

Rising edible oil prices are unacceptable and against the public interest:

Extreme anarchy is going on in the edible oil market. According to the proposal of the…

1000 crore in 15 days with soybean oil price hike: Consumer Protection Department

With the rising price of soybean oil in Bangladesh, approximately 1000 crore rupees have been swindled…

The difference between a diamond and a crystal

What is a diamond? The name diamond is derived from the Greek word ‘ADAMO’ which means…

Why is gold so popular?

People’s interest and fascination with gold and gold products are eternal. Most people want to own…

সব বয়সের উপযোগী ফল

গাজর, ডালিম, জাম্বুরা কিংবা টমেটো ত্বকে দিতে পারে নবযৌবন। প্রাকৃতিক ও পুষ্টি উপাদানে ভরপুর ফলের রস…

Why you need plants in your home.

My love for plants bloomed when I was a little child who could barely speak. Those…

আফগান স্পিনারদের বিপক্ষে যে পরিকল্পনায় সফল আফিফরা

দিতে যে হবেই এমন না, তবে পারফরম্যান্স দেখে কথাটা বলা। সপ্তম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৭৪ রানের জুটিতে…